দর্শনের অভিযোগে ১৭ বছর বয়সে জেল কাটা আমি

নিজের আপন চাচাতো বোনকে দর্শনের অভিযোগে ১৭ বছর বয়সে জেল কাটা ছেলে আমি।

আজ দির্ঘ ৯ বছর পর জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আমি মাতৃভূমির উদ্দেশ‍্যে রওয়ানা দিলাম। কমলাপুর রেলওয়ে থেকে ট্রেনে উঠলাম টাকা না থাকায় টিকিট করতে পারিনি তাই সারা পথ দাড়িয়ে দির্ঘ ৫ ঘন্টার জার্নি করে আসলাম নিজ গ্রামে। বিনা অপরাধে দির্ঘ ৯ টা বছর পার হয়ে গেছে  আমার জিবন থেকে। আজ আমি নিজ গ্রামের বাড়ির সামনে এসে দেখি বাড়ির অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেছে। এবং বাড়িতে যেন কারো বিয়ে হচ্ছে বুঝলাম। তারপর একটা বাচ্ছাকে ডেকে আনলাম এনে বললাম এই বাড়ি থেকে কাউকে ডেকে বেড় কর বাবু সে গিয়ে বলতেই দেখি বাড়ি থেকে আমার বড় ভাই (সুমন) বেড়িয়ে আসলেন তারপর  আমায় বললেন আপনি কে এখানে কি চাই। আমি বললাম ভাইজান আমি আপনার ছোট ভাই (রানা) আজ জেল থেকে মুক্তি পেয়েছি।
বড় ভাই:তো কি হয়েছে মুক্তি পেয়েছ ভালো কথা। তবে এই বাড়িতে তুমি কেন এসেছ।
আমি: মনে করলাম ভাই ডং করছে আমি বলালা ভাই ফাজলামি করো না। আচ্ছা মা-বাবা কোথায় তাদের দেখতে পাচ্ছি না।
বড় ভাই : কিসের মা-বাবারে তর আবার কিসের মা-বাবারে। আমাদের কাছে তো তুই সেদিন ই মারা গেছিস যেদিন তুই নিজের আপন চাচাতো বোনকে দর্শন করেছিলে চি! চি! আমার বলতেও লজ্জা করছে আর তুই সেই কাজ নিজ করলে।চি!
আমি: আমি ঠিক ৯ বছর আগের মতো বলে উঠলাম না আমি দর্শন করিনি আমি দর্শক নয়।
বড় ভাই : চুপ কর চুপ! এমন ভাব করছিস যেন ভাজা মাছটি উল্ঠে খেতে যানিস না।
( এমন সময় বাবা ও চলে আসলেন )
বাবা: কিরে এত চিল্লাচিল্লি কিসের।
বড় ভাই: বাবা তুমার রানা জেল থেকে আবার বাড়িতে এসেছে
বাবা : রানা কে রে আমি ছিনি না আমার তুই ছাড়া আর কোন ছেলে নাই রানা ত দির্ঘ ৯ বছর আগেই মরেগেছে। {ভাইয়ের সাথে কথা বলছেন}
এখন, আমি: বাবা আমি তুমার রানা আমি মিথ‍্যা মামলায় জেল কেঠেছি বাবা আমি নির্দোষ।
বাবা : চুপ কর তুই কে আমি তকে ছিনিনা তুই বেরিয়ে যা এই বাড়ি থেকে।
{{আমি বাবর এই কথা শুনে বাড়ি থেকে চলে যাওয়া ছাড়া আর কোন পথ না পেয়ে আবার চলে যাচ্ছি আবার সেই ৯ বছর কাঠানো ঢাকায় }}
ট্রেনে করে চলে এলাম ঢাকা শহরে। এসে টাকা -পয়সা না থাকায় পাগলের মতো হেটে চলছি চলতে চলতে  হঠাৎ একটা গাড়ি এসে আমার উপর ধাক্কা দিল। এবং ফেলে দিল রাস্তার পাশে। তখন গাড়ির ভেতরে থাকা লোকটিকে কিছুটা চিনতে পারলাম এবং এটা ভাবতে মনে অনেক কষ্ঠ হয়েছে যে আমি এত হতবাগা আমায় এভাবে দোষি করে কাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে আমার জিবন। নিজের মানুষের ফাদে পড়া আমি নিজেকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে হঠাৎ জ্ঞান চলে গেল বুঝতেও পারলাম না পড়ে যখন জ্ঞান ফিরে তখন আমি দেখি হাসপাতালের সিটে শুয়ে আছি।।।
{এই গল্পে আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ ছিলাম} ।
part – 1
বাকি অংশ চাইলে কমেন্টে বলবেন আমি খুব তারাতারি দিয়ে দিব।
আর এরকম আরো মজার গল্প চাইলে সাইটটিকে ফলো দিয়ে রাখতে

Leave a Comment